বুধবার (১০ জুন) বিজিবি’র গণসংযোগ কর্মকর্তা শরীফুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বিষয়টি জানান।
জব্দকৃত চোরাচালান দ্রব্যের মধ্যে রয়েছে—৩ কেজি ৬৪৮ গ্রাম স্বর্ণ, ৪ কেজি ১০০ গ্রাম রূপা, ১১,৪১৯টি শাড়ি, ২,৮৩১টি থ্রিপিস/শার্টপিস/চাদর/কম্বল, ৯,৩৬৮টি তৈরি পোশাক, ৪,৫১৪ মিটার থান কাপড়, ১,২৮,৯২৮টি কসমেটিকস সামগ্রী, ৩৭,১৫৪ পিস ইমিটেশন গহনা, ৩৯,৯৯,৭৯৭ আতশবাজি, ৬,০১৭ ঘনফুট কাঠ, ৭,০০৭ কেজি চা পাতা, ৬৫,৭০০ পিস জিলেট ব্লেড, ৩,৩১০ কেজি সুপারি, ২৫,৮৬০ কেজি কয়লা, ৩,৪৬৫ ঘনফুট পাথর, ১৭০ ঘনফুট বালু, ৪০৫টি মোবাইল,
২,৯৪০ পিস মোবাইলের ডিসপ্লে, ৫৬,১৪৮ পিস মোবাইলের যন্ত্রাংশ, ৩৬,৪১১ ইলেকট্রনিক সামগ্রী, ১৩,০৫৩টি চশমা, ৯৬,৪০২ কেজি জিরা, ২৩,৪৫১ কেজি চিনি, ২০,০৭,৮৬৯ প্যাকেট বিভিন্ন প্রকার খাদ্য সামগ্রী, ৪,৬৯১ কেজি রসুন, ৫৯৭ কেজি সার, ২২৮ লিটার ডিজেল/অকটেন/পেট্রোল/মবিল, ২,৬৪২ প্যাকেট কীটনাশক, ২,৮৯,৫০৮ পিস চকোলেট, ৭৪৫টি গরু/মহিষ, ২টি ট্রাক/কাভার্ড ভ্যান, ৪টি মাহেন্দ্রা গাড়ি, ১১টি পিকআপ, ৪টি প্রাইভেটকার/বাস, ১৩টি ট্রলি/মাইক্রোবাস, ৪০টি সিএনজি/ইজিবাইক/অটোরিকশা, ৪৮টি মোটরসাইকেল এবং ১৭টি বাইসাইকেল/ভ্যান।
উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে—০১টি বিদেশি/দেশি পিস্তল, ০১টি রাইফেল, ০২টি ম্যাগাজিন, ২৫৮ রাউন্ড গোলাবারুদ, ০১টি রকেট লাঞ্চার এবং ০২টি অন্যান্য অস্ত্র।
সীমান্তে বিজিবি’র অভিযানে ইয়াবাসহ বিভিন্ন প্রকার মাদক পাচার ও অন্যান্য চোরাচালানে জড়িত থাকার অভিযোগে ১৮৮ জন চোরাচালানি এবং অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমের দায়ে ৯২ জন বাংলাদেশি নাগরিক, ০৬ জন ভারতীয় নাগরিক ও ৩৯২ জন মিয়ানমার নাগরিককে আটকের পর তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

প্রতিনিধির নাম
।।