নিজস্ব প্রতিবেদক,

চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের সেবা মূলক বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প থেকে গোপনে অনৈতিক সুবিধা আদায় এবং ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে অফিস সহকারী ইসমাইলের বিরুদ্ধে। বিভিন্ন প্রকল্পের অর্থ ছাড় ও কাজ পাইয়ে দেওয়ার নামে তিনি রীতিমতো ঘুষের বাজার বসিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
অনুসন্ধান ও ভুক্তভোগীদের সূত্রে জানা গেছে, জেলা পরিষদের আওতাধীন বিভিন্ন মসজিদ, মন্দির, ইজারাকৃত ঘাট এবং গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের চেক দ্রুত পাস করিয়ে দেওয়ার কথা বলে অফিস সহকারী ইসমাইল নিয়মিত মোটা অঙ্কের ঘুষ লেনদেন করছেন। ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন তহবিলের অর্থ ছাড় করাতে গিয়েও ছাড় পাচ্ছেন না উদ্যোক্তারা; সেখানেও তিনি নির্দ্বিধায় কমিশন ও উৎকোচ দাবি করেন।
ভুক্তভোগীরা জানান, সরকারি সেবা নিতে এসে সাধারণ নাগরিক ও প্রকল্প সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা এই কর্মচারীর নীরব চাঁদাবাজি এবং অনৈতিক দাবির মুখে পড়ে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। টাকা না দিলে ফাইল আটকে রাখা কিংবা নানা অজুহাতে ঘোড়ানোর অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। জেলা পরিষদের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি সংস্থায় একজন কর্মচারীর এমন বেপরোয়া দুর্নীতির কারণে স্থানীয় বাসিন্দা ও সেবাগ্রহীতাদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ও সচেতন মহল ক্ষোভ প্রকাশ করে অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। একইসঙ্গে দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মচারী ইসমাইলের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনানুগ ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।